আপনি যে "Imported" জুতা কিনছেন, সেটা হয়তো আপনার কাছ থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে তৈরি হয়েছে।
রাহেলা ঢাকার একটা বড় শপিং মলে গেলেন। একটা বিদেশি ব্র্যান্ডের জুতার দোকানে ঢুকলেন। পছন্দের একটা জুতা তুলে দেখলেন, sole-এর নিচে ছোট করে লেখা — "Made in Bangladesh"।
তিনি হাসলেন। তারপর জুতাটা রেখে দিলেন।
দাম ছিল ৫,৫০০ টাকা।
রাহেলার অভিজ্ঞতা নতুন কিছু না। বাংলাদেশের লক্ষো মানুষ প্রতিদিন এই একই কাজ করছেন। বিদেশি label দেখে বেশি দামে কিনছেন। অথচ সেই জুতা তৈরি হয়েছে আমাদেরই দেশে।
আজকে এই সত্যিটা একটু গভীরে যেয়ে বুঝি।
বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম বড় Footwear রপ্তানিকারক
অনেকেই জানেন না, বাংলাদেশ পোশাকশিল্পের মতো Footwear শিল্পেও বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারকদের একটি। ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার বড় বড় brands-এর জুতা তৈরি হয় এখানে।
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার জুতা বিদেশে রপ্তানি হয়।
USA, UK, Germany, Italy সহ বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশে বাংলাদেশের তৈরি জুতা যায়।
এই industry-তে লক্ষো দক্ষ কারিগর কাজ করেন, যারা বছরের পর বছর ধরে international standard বজায় রাখছেন।
আধুনিক export factory-গুলোতে ৫০টির বেশি specialized machine ব্যবহার হয়, যা যেকোনো আন্তর্জাতিক মানের জুতা তৈরিতে সক্ষম।
তাহলে প্রশ্ন হলো, এই দেশেই তৈরি জুতা আবার "Imported" label নিয়ে কেন ফিরে আসে?
কীভাবে কাজ করে এই পুরো চক্র?
বিষয়টা বুঝতে হলে একটু পেছনে যেতে হবে।
বিদেশি Buyer Bangladesh-এ আসে
USA, UK, Europe-এর বড় brands-এর representatives বাংলাদেশের export factory-তে আসেন। তারা order দেন। কারণ এখানে দক্ষ কারিগর, উন্নত machine আর reasonable cost আছে।
বাইরে থেকে export-grade material আনা হয়
Buyer-এর specification অনুযায়ী বিদেশ থেকে high-quality material আমদানি করা হয়। mesh fabric, sole compound, adhesive, laces সব international standard-এর। এই material দিয়ে তৈরি জুতা naturally export-grade হয়।
Bangladesh-এ তৈরি হয়, বিদেশে যায়
জুতা তৈরি হয় বাংলাদেশে। তারপর জাহাজে করে বিদেশে যায়। সেখানে brand-এর নাম লাগে, showroom-এ আসে। দাম হয় ৩ থেকে ৫ গুণ বেশি।
আবার বাংলাদেশে ফেরে "Imported" label নিয়ে
অনেক সময় সেই জুতা আবার বাংলাদেশে import হয়ে আসে। "100% Imported" label নিয়ে, আরও বেশি দামে। অথচ এটা এখানেই তৈরি হয়েছিল।
সহজ করে বললে: আপনি যখন ৫,০০০ টাকায় একটা "বিদেশি" জুতা কিনছেন, তখন সেই টাকার বড় অংশ যাচ্ছে brand-এর নাম, import duty, international shipping, distributor margin আর showroom ভাড়ার পেছনে। আসল জুতার দাম কিন্তু অনেক কম।
তাহলে কোন জুতা কিনবেন?
এখানেই মূল প্রশ্ন। যদি বাংলাদেশেই export-grade জুতা তৈরি হয়, তাহলে সেটা সরাসরি কিনতে পারলে কেমন হতো?
এই চিন্তা থেকেই Ben Nevis Bangladesh-এর জন্ম।
আমরা সেই export factory থেকে সরাসরি জুতা সংগ্রহ করি। প্রতিটা জুতা ১০০% Quality Check করা হয়। তারপর সরাসরি আপনার কাছে পৌঁছে দিই। মাঝে কোনো brand markup নেই, import duty নেই, showroom খরচ নেই, middleman নেই।
দাম কম মানে কি মান কম?
এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অনেকেই ভাবেন, দাম কম মানে নিশ্চয়ই মান কম।
কিন্তু ভাবুন, যদি একই factory, একই machine, একই material দিয়ে তৈরি হয়, তাহলে মান কম হবে কীভাবে?
দাম কম কারণ business model আলাদা। আমরা brand-এর নামের পেছনে বিনিয়োগ করি না। Showroom খুলি না। Distributor রাখি না। এই সাশ্রয় সরাসরি আপনার কাছে পৌঁছে দিই।
Ben Nevis-এর প্রতিশ্রুতি: প্রতিটা জুতা individually inspect করা হয়। B-grade বা reject মাল কখনো বিক্রি করা হয় না। শুধু export-grade, Quality-passed পণ্যই আপনার কাছে পৌঁছায়।
আপনার কী করা উচিত?
পরের বার কোনো "বিদেশি" জুতা কেনার আগে একটু খুঁজে দেখুন sole-এর নিচে কোথায় তৈরি লেখা আছে। অবাক হতে পারেন।
আর যদি সেই একই মানের জুতা, বাংলাদেশে তৈরি, বাংলাদেশের factory থেকে সরাসরি, ন্যায্য দামে পেতে চান, তাহলে Ben Nevis Bangladesh-এ একবার দেখুন।
COD available। আগে দেখুন, পরুন, তারপর টাকা দিন। পছন্দ না হলে ফেরত দিন।
Export-Grade জুতা। ন্যায্য দামে।
একই factory, একই material, একই মান। শুধু brand markup নেই, import duty নেই, middleman নেই।
এখনই দেখুন, COD Available